মঙ্গলবার, ৩রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৩শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি.
SKF Company

নৃত্যশিল্পী তিথী সেনের আত্মহত্যা । প্রতিবাদে গাজীপুরে মানববন্ধন

১৪-এপ্রি-২০২১ | Dhaka Desk | 176 views

টাঙ্গাইলের বড় কালীবাড়ি এলাকার নৃত্যশিল্পী তিথী সেনের আত্মহত্যার ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে গাজীপুরে মানববন্ধন করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার গাজীপুর মহানগরীর পূর্ব চান্দনা এলাকায় এ মানববন্ধন করেন নৃত্যশিল্পী তিথী সেনের ভক্তবৃন্দরা।

ব্যানারে লেখা ছিল ‘জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী তিথী সেন হত্যার পরিকল্পনাকারী ও সহযোগীতার কারী বিয়ে করে এবং না করে একাধিক নারীর জীবন নষ্টকারী যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সজল রায় এবং তার সহযোগীদের বিচার চাই’।
মানববন্ধনকারীরা জানান, গত ৮ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) আত্মহত্যা করেন নৃত্যশিল্পী তিথী। বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত নিউইয়র্ক পুলিশ অফিসার সজল রায় (৩০) এর প্রেমের সম্পর্ক ছিল নৃত্যশিল্পী তিথী সেনের। ফেসবুকসহ যোগাযোগ মাধ্যমের বরাতে তারা জানতে পারেন তিথী আত্মহত্যা করার পিছনে সজল রায়ের হাত থাকতে পারে। সজল রায় আগেও দুই বিয়ে করেছেন, দ্বিতীয় বিয়ে করেন রোকসানা মির্জা নামে একজন সংগীত শিল্পীকে। পরে তাদের সংসারে চলে ব্যাপক অশান্তি। এরপর নৃত্যশিল্পী তিথীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে নিজ উদ্দেশ্য হাসিল করেন সজল রায়।

সজল রায়ের স্ত্রী সংগীত শিল্পী রোকসানা মির্জা বলেন, বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত নিউইয়র্ক পুলিশ অফিসার সজল রায় প্রথম বিবাহের কথা গোপন করে তাকে বিয়ে করে। শর্ত দেয় বিয়ের পর সজল রায় মুসলমান হয়ে যাবে। কিন্তু বিয়ের পর সজল রায় ও তার মা সরস্বতী মন্ডল রোকসানা মির্জাকে শারীরিক এবং মানসিক টর্চার করে।
নৃত্যশিল্পী তিথী সেনের সাথে সজল রায়ের প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করে রোকসানা মির্জা জানান, গত বছরের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশে গিয়ে তিথী সেনের সাথে প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ হন সজল রায়। পরে তিথী সেনকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। অত:পর ঐ মেয়ের অন্তরঙ্গ মূহুর্তের কিছু ছবি বা ভিডিও দিয়ে তিথী সেনকে ব্লাইকমেইল করতে থাকে সজল। আত্মহত্যার করার সময় সজল রায়কে ভিডিও কলে লাইনে রাখে তিথী। সব তথ্য তিথীর মায়ের কাছে থাকার পরও সে টাকার লোভে কোন তথ্য প্রকাশ এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছেন নাহ।

উল্লেখ্য, গত বছরের নিউইয়র্কে স্ত্রী মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি দেয়ার অভিযোগে প্রবাসী বাংলাদেশী সজল রায় (৩০) নামের নিউইয়র্ক পুলিশের (এনওয়াইডিপি) এক অফিসারকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্ত চলাকালীন সজল রায়কে নিজের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তা সজল রায় একজন সংগীত শিল্পীও ছিলেন।

সুত্রঃ বায়ান্ন একাত্তর খবর ।

Spread the love

সার্চ/অনুসন্ধান করুন

USA JOBS LINKS