শনিবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২রা জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি.
SKF Company

দেশটা যখন মৌলবাদীদের নিয়ন্ত্রনে তখন আর কি আশা করা যায়?

০৬-ডিসে-২০২০ | Dhaka Desk | 111 views

Bevash Mallik, New York. December 06,2020
 দেশটা যখন মৌলবাদীদের নিয়ন্ত্রনে তখন আর কি আশা করা যায়? যারা এই হীন কাজটা করেছে, তারাও বঙবন্ধুর গর্বিত বংশধর এবং  সরকার অদুর ভবিষ্যতে এদেরই  বিভিন্ন রাস্ট্রিয় খেতাবে ভূষিত করবে অন্তত পক্ষে আমি আশাবাদী কারন শুধু বঙবন্ধুর প্রতিকৃতি  ভাংগার কৃতিত্বই নয়? রয়েছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের হাজাব হাজার হিন্দু মন্দিরসহ  নানাস্থাপনা, আবাসস্থল ভাংচুর ও লুটপাটের ঐতিহাসিক কৃতিত্ব ।                                 
প্রবাদ আছে, “কচুগাছ কাঁটতে কাঁটতে একদিন ডাকাত হয়”, এতদিন এই  জংগীরা “তৌহিদী জনতা” নামধারন করে ভূমিপুত্র হিন্দুদের উপর নীপিড়ন নির্যাতন চালিয়ে হাত পাকিয়েছে পরবর্তীতে হযরত  শাহ জালাল বিমান বন্দরের সামনে থেকে সুফী সাধক লালনশাইয়ের প্রতিকৃতি অপসারন করতে  সরকারকে বাধ্য করে, এর কিছুদিন পরে হাইকোর্ট ভবনের সামনে থেকে  ন্যায় বিচারের প্রতিক গ্রীক দেবী থেমীস এর  প্রতিকৃতিও অপসারন করতে বাধ্য করে, যার পেছনে সরকারের প্রচ্ছন্ন ইংগিত ছিল।  তখন সরকারের ভূমিকা ছিল “রোম জ্বলছে, নীরো বাঁশী বাজাচ্ছে”র মতো।
এই জংগীরাও কথায় কাজে কম যাননা? ওরা ওদের সব অপকর্মগুলো হালাল করার জন্য ও প্রধানমন্ত্রী    শেখ হাসিনাকে খুশী করার জন্য দিয়েছে কওমীমাতা, রোহিঙ্গারত্নসহ আরো অসংখ্য উপাধী। প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনার নিকট অসহায় হিন্দুরা লক্ষ লক্ষ অভিযোগ করলেও ওনার ভূমিকা ছিল “ধরি মাছ নাছুই পানি”  সুলভ, তবে মাঝে মধ্যে “যাহ দুস্টু” মার্কা শাষন করতেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবসময় সাপের লেজ দিয়ে কান চুলকাতে পছন্দ করেন কিন্ত আরেকদিকে যে বিষধর দংশন তার জন্য অধির অপেক্ষায় আছে, সেটা হয়তো আঁচ করেননি, শেখ হাসিনার মনোভাব  ছিল এরকম>>> খুন ধর্ষন লুটপাটের মাধ্যমে হিন্দুদের যদি দেশছাড়া  করা যায় তাতে মন্দ কি? তো ঐ  দখলকৃত ভূসম্পত্তি  তার আত্বীয় স্বজনরাই তো ভোগ দখল করছে, ঐ জংগীদের মধ্যে উনি খুঁজে পান তার ভাই শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল ও তার পিতাকে।    

নির্যাতিত নিপীড়িত হিন্দুদের বুকফাটা আর্তনাদ শেখ হাসিনার কঠিন হৃদয়কে এতটুকু টলাতে পারেনি,  অসহায় হিন্দুদের লক্ষ কোটি অনুরোধ উনি উপেক্ষা করে চর্মনাই নাগরবাবুদের সন্তুষ্ট করেছেন, যার প্রতিফলনই এটা কারন গতকাল ক্ষমতাসীন দলের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মন্তব্য করেছেন যে ওনারা এখনো পর্যবেক্ষন করছেন, তার মানে দেশে তেমন কিছুই হয়নি অর্থাৎ ভাস্কর্য  ও  প্রতিকৃতি ভাঙচুরের বিষয়  নিয়ে দেশের পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আঁকার ধারন করতে পারে।

সরকারের কাছে এমুহুর্তে ভুক্তভোগি জনসাধারনের নানাবিধ প্রশ্ন ও কৌতুহল? একটি দেশে   একই সাথে দৈত্য শাষন বিদ্যমান একটি রাস্ট্রিয় শাসন আরেকটা অঘোষিত ইসলামী শাসনের নামে  জংগী আধিপত্য।

বর্তমান সরকার প্রধান যখন সন্দেহাতীতভাবে প্রমানিত  সাংবিধানিকভাবে   সংখালঘুদের নিরাপত্তা দিতে ১০০% শতাংশ ব্যর্থ তখন সংখালঘু জনগোস্ঠিরা তাদের নিরাপত্তা সুদৃঢ় করার জন্য  আলাদা  একটি নিরাপত্তা বাহিনী বা পুলিশ বাহিনী  গঠন করতেই পারে। যা সরকারের অনুমতির কোন প্রয়োজন  পড়েনা  কারন মৌলবাদীরাই যখন যেটা তাদের সার্থে যেটা দরকার সরকারের অনুমতির তোয়াক্কা  করছেনা এবং বাংলাদেশের ইসলামী জংগীরা এও প্রমান করতে সামর্থ হয়েছে যে  বর্তমান সরকার  একটি মেরুদন্ডহীন  ইসলামী মৌলবাদী তাবেদার গোস্ঠীর নিয়ন্ত্রিত।
  ৯০ এর দশকে জাতিসংঘের জরিপে পৃথিবী সেরা শান্তি প্রিয় দেশের তালিকার প্রথম সারিতে বাংলাদেশও ছিল কিন্তু কওমীমাতাখ্যাত শেখ হাসিনা হাসতে হাসতে “হাঁস জবাই” খেলায় মেতে উঠে  শান্তি প্রিয় বাংলাদেশকে  ওনার মনের মাধুরী মিসিয়ে নরকে  পরিনত করেছেন।                                                           এখন আমাদের ধৈর্য নিয়ে অপেক্ষা করতে হবে, বর্তমান সরকার কত দ্রুত বাংলাদেশের রাস্ট্রিয় ক্ষমতা জংগীদের নিকট হস্তান্তর করে।
বিভাস মল্লিক,
নিউ ইয়র্ক থেকে। December 06, 2020    
Spread the love

সার্চ/অনুসন্ধান করুন

USA JOBS LINKS